২০২২ বাজেট !
TODAYS বাংলাঃ দেশে অর্থনীতির মন্দগতি, কর্মসংস্থানের সঙ্কট, আর্থিক বৈষম্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে আগামী বছরের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি বলেন, “বাজেটে থাকবে আগামী ২৫ বছরের ব্লু প্রিন্ট।” এ বারের বাজেটে পরিকাঠামো নির্মাণে ২০ হাজার কোটি টাকা, পরিষেবা খাতে ৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা ঘোষণা করেছেন নির্মলা।
1.।সস্তা হচ্ছে জুতো, হিরের গয়না, মোবাইল ফোন, চার্জার, পোশাক ও চামড়াজাত দ্রব্য
2.আয়কর কাঠামোয় কোনও বদল নেই। একই থাকছে ব্যক্তিগত কর কাঠামো। ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর।
3.বিশেষ ভাবে সক্ষমদের জন্য করছাড়ের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে। আয়করে ছাড় দেওয়া হচ্ছে পেনশনভোগীদের। ডিজিটাল সম্পত্তির লেনদেনে ৩০ শতাংশ আয়কর।
4.জাতীয় পেনশন প্রকল্পে করছাড় বেড়ে হল ১৪ শতাংশ।
5.কো–অপারেটিভগুলির সারচার্জ ১২ শতাংশ থেকে কমে হল ৭ শতাংশ।
৬.কর্পোরেট কর ১৮ শতাংশ থেকে কমে ১৫ শতাংশ হল।
৭.কৃষকদের কাছে উন্নতমানের গবেষণা পৌঁছে দিতে নতুন প্রকল্প। কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
৮.করদাতারা ২ বছরের মধ্যে আপডেট রিটার্ন ফাইল করতে পারেন। ভুল সংশোধন করে ২ বছরের মধ্যে এই আপডেট রিটার্ন ফাইল করতে পারবেন করদাতারা।
৯.প্রত্যক্ষ কর ব্যবস্থার সংস্কার করা হবে বলে ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।
১০.১০ লক্ষ ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী ঋণের সুবিধা পাবেন।
১১.আরবিআই-এর অধীনে ডিজিটাল মুদ্রা চালু করা হবে। ক্রিপ্টোকারেন্সির মতো ব্লকচেন পদ্ধতিতে এই মুদ্রা লেনদেনের তথ্য রাখা হবে।
১২.আরবিআই-এর অধীনে ডিজিটাল মুদ্রা চালু করা হবে। ক্রিপ্টোকারেন্সির মতো ব্লকচেন পদ্ধতিতে এই মুদ্রা লেনদেনের তথ্য রাখা হবে।
১৩.সমস্ত সরকারি ক্রয়ের জন্য অনলাইন ই-বিল-এর সুবিধা। ৮টি ভাষায় জমি রেকর্ডের নথি রাখা হবে, ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর।
১৪.ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের অধীনে ফসল কেনার জন্য ২লক্ষ ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে।
১৫.ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের অধীনে ফসল কেনার জন্য ২লক্ষ ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে।
১৬.বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড)-এর জন্য নতুন আইন আনা হবে।
১৭.২০২২-২৩ এর মধ্যে ৫জি মোবাইল পরিষেবা চালু হবে। ২০২৫-এর মধ্যে সব গ্রামে অপটিক্যাল ফাইবারের পরিকল্পনা।
১৮.গ্রিন ক্লিয়ারেন্স’ পোর্টালের পরিধি বাড়ানো হবে। ‘ই-পাসপোর্ট’ ইস্যু করা হবে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে। নগর পরিকল্পনার জন্য উচ্চ-পর্যায়ের কমিটি তৈরি করা হবে।
১৯.২০২২-এ প্রতিটি পোস্ট অফিস কোর ব্যাঙ্কিং করতে পারবে। দেড় লক্ষ পোস্ট অফিসকে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার অধীন আনা হল। এই পোস্ট অফিসগুলিতে নেট ব্যাঙ্কিং, অনলাইন ব্যাঙ্কিং, এটিএমের সুবিধা পাওয়া যাবে।
২০.প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ২০২২-২৩-এ বাড়ি পাবেন ৮০ লক্ষ পরিবার। এর জন্য রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে যৌথ ভাবে করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অধীনে ২০২২-২৪ এর জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
২১.উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়নের জন্য ১,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে বলে ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর।
২২.দেশের ৭৫টি জেলায় ৭৫টি ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং ইউনিট করা হবে।
২৩.৫টি নদী সংযোগ প্রকল্প চূড়ান্ত করা হয়েছে, ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর
২৪.৩ কোটি ৮০ লক্ষ পরিবারকে কলের জল পৌঁছে দিতে ৬০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
২৫.পার্বত্য অঞ্চলে জাতীয় রোপওয়ে তৈরি হবে। ৬০ কিমি দীর্ঘ ৮টি রোপওয়ে চালু হবে।
২৬.ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে উৎসাহ দিতে ২লক্ষ ৭৩ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।
২৭.২০২৩ আর্থিক বছরে ২৫ হাজার কিলোমিটার জাতীয় সড়ক প্রসারিত করা হবে।
২৮.পরিকাঠামো নির্মাণে ২০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে।
২৯.নির্মলা বলেন, “বাজেটে থাকবে আগামী ২৫ বছরের ব্লু প্রিন্ট। শেয়ার বাজারে আসছে জীবনবিমা নিগমের আইপিও। রেলে পিপিপি মডেলকে আরও উৎসাহ দেওয়া হবে।”
৩০.তিন বছরে ৪০০ টি নতুন ‘বন্দে-ভারত’ ট্রেন চালু করা হবে বলে জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। স্থানীয় ব্যবসায় উৎসাহ দিতে ওয়ান প্রোডাক্ট প্রকল্প চালু করা হবে।
৩১.দেশের আর্থিক বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে ‘পিএম গতিশক্তি’ মাস্টার প্ল্যান আনা হচ্ছে। পরিকাঠামো নির্মাণে জোর দেওয়ার লক্ষ্যেই ‘পিএম গতিশক্তি’ মাস্টার প্ল্যান।
৩২.৬০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান আগামী পাঁচ বছরে, ঘোষণা নির্মলার
৩৩.চতুর্থ বাজেট পেশ করছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “অতিমারির প্রতি যাঁরা অসুবিধায় পড়েছেন তাঁদের প্রতি আমার সমবেদনা। ১০০ বছর ভারত কী হবে তাঁর রূপরেখা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।”
৩৪.২০২২-এর বাজেট অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।
৩৫.বাজেট পেশের আগেই ৮৬০ পয়েন্ট বাড়ল সেনসেক্স।